দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি, পরাজিত করার শক্তি নেই কারও: টুকু BNP is at the peak of popularity among the people of the country, no one has the power to defeat it: Tuku

 

দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে বিএনপি, পরাজিত করার শক্তি নেই কারও: টুকু



বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, ‘দেশের মানুষের কাছে বিএনপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। তৃণমূলে চায়ের দোকানে যারা বসেন ও ওয়ার্ডে আপনারা যারা প্রবীণ এবং সাবেক বিএনপির নেতা, যারা দলের স্বার্থে কাজ করেন আপনাদের মাধ্যমেই দলকে মানুষ চিনে ও ভালোবাসে। দলের প্রতি আলাদা একটা দরদ ও একটু বেশি ভালোবাসা রয়েছে আপনাদের। একটা দলের নেতা ভালো থাকলে সে দলে কর্মী ও ভোটের অভাব হয় না। কারণ আপনাদের কথা মানুষ বিশ্বাস করে ও আপনাদের ওপর আস্থা রাখে। এই দলকে ভালোবাসতে গিয়ে জীবনকে হুমকির মুখে অনেকে ফেলেছেন। অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। তারপরও দলেশনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্লাবে শহরের সাবেক বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট সরকার ছয় বছরের অধিক সময় অবৈধভাবে জেলে আটকে রেখে নির্যাতন করেছিল। তারপরও নেত্রী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাত করেননি, মাথা নত করেনি, দেশ ছেড়ে পালাননি। সোনা পুড়লে যেমন খাঁটি হয়র জনপ্রিয়তা কমেনি।’




শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্লাবে শহরের সাবেক বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘দেশের জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট সরকার ছয় বছরের অধিক সময় অবৈধভাবে জেলে আটকে রেখে নির্যাতন করেছিল। তারপরও নেত্রী ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাত করেননি, মাথা নত করেনি, দেশ ছেড়ে পালাননি। সোনা পুড়লে যেমন খাঁটি হয়


তেমনি লোহা পুড়লে ইস্পাত হয়ে অনেক শক্ত হয়। ঠিক তেমনটি বিএনপির নেতাকর্মীরা ইস্পাতের চেয়ে শক্ত সোনার মতো খাঁটি হয়েছে। বিএনপিকে পরাজিত করবে এমন শক্তি বাংলাদেশে নেই। আমাদের দল সঠিক পথে আছে। বিএনপি একমাত্র দল, যারা গণতন্ত্রকে লালন করে।’



জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে জামায়াত দেশের মানুষের কাছে মাফ চেয়েছে। তারা অপরাধ করছে, মাফ চাইছে। গণহত্যা ও মা বোনের ইজ্জত নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে, তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। তাদের মুখে জনগণ ও দেশের কথা মানায় না। স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষকে হত্যা করেছিল। তার পতনও হয়েছে। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাও তার বাবার মতো বাকশাল কায়েক করতে চেয়েছিল। সবশেষে স্বৈরাচার হয়েছে। ১৯৭১-এর পর দেশের মানুষ শেখ মুজিবকে নেতা মানতো। তার কর্মের কারণে মানুষের মুখ থেকে উঠে গিয়েছে তার নামও।’



জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুর সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সহসভাপতি শাহীন আকন্দ প্রমুখ।



আমার দেশ নিউজ 


রাসেল হোসাইন 

 

Post a Comment

Previous Post Next Post